১৯২৯ সালের ২৮শে সেপ্টেম্বর তৎকালীন ইন্দোর রাজ্যের রাজধানী ইন্দোর (বর্তমান মধ্যপ্রদেশ) জন্মগ্রহণ করেন।

লতা মঙ্গেশকর তিনি ছিলেন ভারতের একজন স্বনামধন্য গায়িকা।তিনি এক হাজারেরও বেশি ভারতীয় ছবিতে গান করেছেন এবং তার গাওয়া মোট গানের সংখ্যা দশ হাজারেরও বেশি। এছাড়া ভারতের ৩৬টি আঞ্চলিক ভাষাতে ও বিদেশি ভাষায় গান গাওয়ার একমাত্র রেকর্ডটি তারই। ১৯২৯ সালের ২৮শে সেপ্টেম্বর তৎকালীন ইন্দোর রাজ্যের রাজধানী ইন্দোর (বর্তমান মধ্যপ্রদেশ) জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ৩টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ১৫টি বাংলা চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি পুরস্কার, ৪টি শ্রেষ্ঠ নারী নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, ২টি বিশেষ ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, ফিল্মফেয়ার আজীবন সম্মাননা পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন। ১৯৭৪ সালে তিনি প্রথম ভারতীয় হিসেবে রয়্যাল অ্যালবার্ট হলে সঙ্গীত পরিবেশন করেন। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে লতা সর্বজ্যেষ্ঠ। তার বাকি ভাইবোনেরা হলেন - আশা ভোঁসলে, ঊষা মঙ্গেশকর, মীনা মঙ্গেশকর ও হৃদয়নাথ মঙ্গেশকর। তার পিতা পণ্ডিত দীনানাথ মঙ্গেশকর একজন মারাঠি ও কোঙ্কিণী সঙ্গীতশিল্পী এবং মঞ্চ অভিনেতা ছিলেন। তার মাতা শেবন্তী (পরবর্তী নাম পরিবর্তন করে সুধামতি রাখেন) পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে ৬-ই ফেব্রুয়ারি সকাল ৮:১২ নাগাদ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করে চলে গেলেন আমার বেশ মনে আছে এই গুনি শিল্পীর গানের জন্যই বাবার বকনি থেকে মুক্তি পেতাম। ছোট বেলায় বাবা যখন আমার উপর রাগ হতো আমি চুপ করে ঘড়ে গিয়ে টেপ রেকর্ডারে লতা মঙ্গেশকরের গান চালিয়ে দিতাম । তার কিছুক্ষণ পরে বাবার মাথা ঠান্ডা হতো আর মন দিয়ে গান গুলো শুনতো। তার কিছু গান আমার বাজে গলায় তুলে ধরলাম আমি কখনো গান চর্চা করি নি এই শিল্পের সরনে চেষ্টা করছি,,,এক কলি করে। গান,,,,,, আষাঢ় শ্রাবন মানে না তো মন, ঝর ঝর ঝর ঝর ঝরেছে, তয়ামকে আমার মনে পড়েছে, তোমাকে আমার মনে পড়েছে। আষাঢ় শ্রাবন মানে না তো মন। গান,,,,,,, নিঝুম সন্ধ্যায় পান্থ পাখিরা বুঝিবা পথ ভুলে যায় নিঝুম সন্ধ্যায় পান্থ পাখিরা বুঝিবা পথ ভুলে যায় কুলায় যেতে যেতে কি যেন কাকলী আমারে দিয়ে যেতে চায় নিঝুম সন্ধ্যায়… গান,,,,,, প্রেম একবারই এসেছিল নিরবে, আমারই এ দুয়ার প্রান্তে।। সে তো হায়, মৃদু পায়, এসেছিল পারি নি তো জানতে, প্রেম একবারই এসেছিল নিরবে। গান,,,,,,,, আমি যে কে তোমার তুমি তা বুঝে নাও আমি চিরদিন তোমারই তো থাকবো তুমি আমার, আমি তোমার এ মনে কী আছে পারো যদি খুঁজে নাও… এই গুনি শিল্পীর অভাব আর কেউ কখনো পূরণ করতে পারবে না। সারাজীবন সৃতি হয়ে থাকবে এই শিল্পের দেয়া গান গুলো।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ